রোজা মানুষের ’অটোফেজি’কে তরান্বিত করে: ডা. আতাউল্লাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা: এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এর সরকার ও রাজনীতি বিভাগের উদ্যোগে “The benefits and upliftment of human health during the holy Ramadan” শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিভাগীয় চেয়ারম্যান ড. শেখ আসিফ এস. মিজানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এর বোর্ড অব স্ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ জাফর সাদেক, বিশেষ অতিথি ছিলেন এইউবির রেজিস্ট্রার ড. মোঃ শাহ আলম, স্কুল অব আর্টস’র ডিন ড. মুহসিন উদ্দিন, ইসলামিক হিস্টরি এন্ড সিভিলাইজেশন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. আমিরুল ইসলাম, প্রধান আলোচক ছিলেন মুগাদিসু ইউনিভার্সিটি, সোমালিয়া এর ফেকাল্টি অব মেডিসিন ডা. এ.এইচ.এম. আতাউল্লাহ, বক্তব্য রাখেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ জাকির হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শামসুজ্জামান, সহকারী অধ্যাপক এখলাসুর রহমান, ড. শরীফ আহমেদ চৌধুরী, লেকচারার নিগাত সুলতানা, মনিজা ইসলাম, ইসমত আরা খুশি, রওনক জাহান ও শিহাব উদ্দিন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সহকারী অধ্যাপক ড. এম. আনিছুর রহমান।

রোজার গুরুত্ব তুলে ধরে বিশেষ অতিথি রেজিস্ট্রার ড. মোঃ শাহ আলম বলেন, শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে সিয়াম সাধনার কোনো বিকল্প নেই। সিয়ামের শিক্ষা ব্যক্তি জীবন থেকে শুরু করে সামাজিক ক্ষেত্রেও বহুবিদ গুরুত্ব রয়েছে বলে মন্তব্য করেন।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে রোজার উপকারিতা তুলে ধরে প্রধান আলোচক ডা. এ.এইচ.এম. আতাউল্লাহ বলেন, রোজা মানুষের ’অটোফেজি’কে তরান্বিত করে। অন্য নানা ধরনের রোগবালাই (স্টোক, হৃদরোগ ও মানসিক রোগ ইত্যাদি) থেকেও মানুষকে নিরাপদ রাখে। ফলে শারীরিক সুস্থতা ও বিকাশে আমাদেরকে যথাযথভাবে মাহে রমজানের রোজা পালন করা উচিত।

প্রধান আলোচক ডা. এ.এইচ.এম. আতাউল্লাহ ব্যক্তি জীবনের আত্মশুদ্ধি থেকে শুরু করে শারীরিক ও মানসিক সুস্থ্যতার ক্ষেত্রে রোজা পালনের নানা গুরুত্বের দিক তুলে ধরেন।

সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ জাকির হোসেন মাহে রমজানের শিক্ষা গ্রহণ করে জীবনে আত্মশুদ্ধি অর্জন এবং একটি সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

প্রধান আলোচক ও অতিথিদের বক্তব্যের ভূয়সী প্রশংসা করে সভাপতির বক্তব্যে সরকার ও রাজনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. শেখ আসিফ এস. মিজান বলেন, সময় স্বলপতার কারণে প্রধান আলোচকের মূল্যবান আলোচনায় অতৃপ্তিই থেকে গেলে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজনের ব্যাপারে দৃঢ় অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন।

এছাড়াও তিনি অতিথি ও আলোচকদের প্রতি কৃতজ্ঞা প্রকাশ করেন। এ ধরনের একটি সুন্দর অনুষ্ঠান আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতার জন্য বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদেরও ধন্যবাদ প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে বিভাগীয় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশ নেন।

Print Friendly, PDF & Email
Please follow and like us:
0